
পরকিয়ায় আসক্ত হওয়ার পরিণতি।
একটি মেয়ের বাস্তব ঘটনার সংক্ষিপ্ত রূপ।
পিতা অনেক আশা করে, নিজ মেয়ের দাম্পত্য সুখী করার লক্ষ্যে, একজন যোগ্য মুফতি-হাফেজ-আলেম জামাই দেখে বিবাহ দেয়।
কিন্তু মেয়ে তার নিজের ভালো টি বোঝেনি। বিবাহের পর থেকে তার স্বামীর সঙ্গে বিভিন্নভাবে দুর্ব্যবহার করত। স্বামীর পরিবারের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করত।তারপরেও স্বামী নম্র স্বভাবের হওয়ায় তিনি সব সহ্য করতেন।
কারণ এটাই ছিল যে, বিবাহের পূর্বে সেই মেয়েটির তার খালাতো ভাইয়ের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক ছিল।এজন্য সে বারবার তার বাবার বাড়িতে যেতে চাইত।কারণ তাদের বাড়ির পাশেই তার খালার বাড়ি, সেখানে গিয়ে তার সঙ্গে দেখা করতে পারত। এজন্য তার শুধু তার বাবার বাড়ির প্রতি টান ছিল। প্রথম দিকে তো স্বামী কিছু বুঝতে না পারলেও ধীরে ধীরে তার কাছে স্পষ্ট হয়ে যায় তারপরেও প্রথমদিকে কিছুই বলেননি। পরবর্তীতে যখন তার এ ধরনের আচরণ বৃদ্ধি পায়। আর প্রকাশ্যে ফোন আলাপ-এসএমএস এর মাধ্যমে যোগাযোগ আরো গভীর হয়। তখন স্বামী তার প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে উচু আওয়াজে সেগুলো থেকে বারণ করে। সে এই অজুহাতে তার বাবার বাড়িতে গিয়ে ডিভোর্স চায় এবং এদের পরিবারের ব্যাপারে অনেক বাড়িয়ে কথা বলে এজন্য বাবার বাড়ির লোক তার সন্তানের এ ধরনের কথা শুনে ডিভোর্সের ব্যবস্থা করে এবং দুজনের মাঝে আলাদা করে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ওই মেয়ে তার খালাতো ভাইয়ের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। (একটা বিষয় জেনে রাখা ভালো যে, পরকীয়ায় যারা আসক্ত তারা শুধুমাত্র স্বার্থ উদ্ধার করতে জানে। এক্ষেত্রে মেয়েরা বেশি প্রতারণার শিকার হয়। কারণ পুরুষেরা অন্যের স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া করে হয়তো তার সম্পদের লালসায় অথবা তার রূপ যৌবনের লালসায় আর এগুলো অনেক ক্ষণস্থায়ী হয়ে থাকে তার মিষ্টি মধুর ভালবাসা অনেক সীমিত। এজন্য পরবর্তী বিবাহে বন্ধনে সেই মেয়ে তার কাছে বেশিদিন থাকতে পারেনি। ক্ষণিকের জন্য তার অধীনে ছিল। কিন্তু সম্পদ এবং সৌন্দর্যের ভোগ অর্জন করার পর তাকে সেও ডিভোর্স দিয়ে দেয়। তখন সে নিরুপায় হয়ে এক রিক্সাওয়ালার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়, কিন্তু তার বদ আচরণের কারণে রিক্সাওয়ালার সঙ্গেও বেশি দিন টিকতে পারেনি। পরবর্তীতে সে এক পান বিক্রেতার বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। তার কিছুকাল পর সেখান থেকেও তাকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। এখন সে লাগামহীন এক পতিতা। তার নাম উঠে যায় পতিতা হিসেবে। সমাজের মানুষের কাছে বরঞ্চ নিজের পরিবারের কাছেও সে অনেক নগণ্য হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। অথচ এদিকে তার প্রথম স্বামী কিছুদিন পর একটি মেয়ে বিবাহ করে সে ছিল অনেক সচ্চ চরিত্রের এবং পর্দাশীল। তাদের ঔরসে একটি ফুটফুটে ছেলে সন্তান এবং একটি মেয়ে সন্তান জন্মগ্রহণ করে, এখন তাদের দাম্পত্য অনেক সুখী। অথচ সেই মেয়ের পরিণতি দেখুন এটাই হচ্ছে দুনিয়ার যতসামান্য কিছু নমুনা মাত্র । তার স্বামীর সঙ্গে প্রতারণা এবং ধোকা দেওয়ার কারণে যে অপরাধী হয়েছে , সেটির মূল শাস্তি তো আখেরাতে সে ভোগ করবেই। আল্লাহ পাক আমাদের সবাইকে এমন জঘন্য কর্মকান্ড থেকে বেঁচে থাকার তৌফিক দান করুন আমিন



Comments