top of page
Search

নিজের পায়ে দাঁড়িয়েই বিয়ে করতে হবে। এটির ফলাফল দাঁড়ায় যে, দুই পায়ে দাঁড়াতে গিয়ে মাঝের পা ভেঙ্গে যায়।

Writer: Habib Joypury
Habib Joypury
May 22, 2025
2 min read

ছেলেরা সাধারণত ১৫-১৭ বছর বয়সের মধ্যে শারীরিকভাবে পূর্ণতা পায়। মেয়েদের ক্ষেত্রে তা আরও আগেই ঘটে। কিন্তু আমরা কি তখনই তাদের স্বাভাবিক জীবন, সম্পর্ক বা বিয়ের স্বাধীনতা দেই? আমি নাজিম উদ্দিন হৃদম, তো চলো আজ একটু ভিন্ন টপিকে কথা বলি।


না ভাই, বরং আমরা বলি—

“এখন পড়ো, তারপর ভালো জব করো, তারপর বিয়ে করো।”


আর এই ‘তারপর’-এর যাত্রায় একজন ছেলের বয়স হয়ে যায় ৩২–৩৫।

এই সময় পর্যন্ত সে কি করবে?


নিজেকে পাথর বানিয়ে রাখবে?

নিজের ভেতরের আগুন দাঁতে কামড়ে নেভাবে?


এটা কি বাস্তবতা অনুযায়ী সম্ভব?


▬● সমাজ যা বলছে, আর বাস্তবতা যা ঘটছে—দুটো এক নয়


আমরা বলি, মদ হারাম—কিন্তু খুপরি ঘর ওয়ালা রেস্টুরেন্টে প্রাইভেট জোন ভরপুর।

আমরা বলি, প্রেম-ভালোবাসা ঠিক না, অথচ সারাদেশের রেস্টুরেন্টগুলোর ছোট ছোট রুম, পার্কের ভেতর সব দর্শনীয় স্থান গুলো আমাদের অন্য কথা মনে করিয়ে দেয়—“সমাজ জানে কী হচ্ছে, তবুও চুপচাপ মেনে নেয়।”


কারণ সমাজ জানে—“মানুষ পাথর না, তাদের শরীরেরও ক্ষুধা আছে।”


▬● তাহলে প্রশ্ন হলো—বিয়ে দেরিতে কেন?


ইসলাম বলে—“সাবালক হলেই বিয়ে করো।”

কিন্তু আমাদের সমাজ বলে—

“পাত্র যদি ভালো চাকরি না করে, তাহলে বিয়ে দিতে পারব না।”


এই দ্বিচারিতা কোথা থেকে আসে?


একদিকে ইসলাম মানি, হালাল খাবার খাই, রোজা রাখি…

কিন্তু যখন বিয়ের কথা আসে, তখন বলি—

“বউকে খাওয়াবি কী?”


ভাই, বউ তো হাতি না—যে ১০ কেজি বিচুলি খাবে প্রতিদিন।

তাকে লাগে মানসিক সাপোর্ট, ভালোবাসা, সম্মান—যা টাকায় হয় না, হয় বিশ্বাস আর দায়িত্ববোধে।


▬● বিয়ের বয়স ও ক্যারিয়ারের বাস্তব ফাঁদ


একজন ছেলে যদি ১৭ বছর বয়সে যৌনভাবে পূর্ণতা পায়, আর ৩২ বছর বয়সে প্রতিষ্ঠিত হয়ে বিয়ে করে, তাহলে মাঝের ১৫ বছর সে কোথায় যাবে?


প্রেম করবে,


রেস্টুরেন্টের প্রাইভেট রুম খুঁজবে,


পার্কে গিয়ে প্রেমিকার শরীরে হাত রাখবে,


কিংবা চুপচাপ ঘরে বসে মনোবেদনায় জ্বলবে…


তার মানে কি সে নীতিহীন?

না!

সে স্বাভাবিক মানুষ, যার মধ্যে চাহিদা আছে।

সমস্যা সেই চাহিদায় নয়—সমস্যা সমাজের ভণ্ড মানসিকতায়।


▬● মেয়ে পক্ষের 'প্রতিষ্ঠা' মানেই ছেলের বিসিএস!


তুমি যদি আজকের কোনো সফল ব্যবসায়ীর জীবনী পড়ো—দেখবে, তারা জীবনের অর্থ খুঁজে পেয়েছেন ৪০/৪৫/৫০ বছর বয়সে।

তাহলে কি ততদিন কেউ অপেক্ষা করবে?


বাস্তবতা হলো—জীবনের অনেক দরজাই বন্ধ হয়ে যায়, যতক্ষণ আমরা “ঠিক সময়ে বিয়ে” কথাটা বুঝতে না শিখি।


▬● ইসলাম যা বলেছে, তা কি আমরা মানি?

ইসলাম বলে:

“যদি কেউ গরিব হয়, আল্লাহ তাকে তার বিয়ের মাধ্যমে রিজিক দান করবেন।”

কিন্তু সমাজ বলে:

“প্রথমে টাকা কামাও, পরে বিয়ে করো।”


এই সমাজ একদিকে মসজিদে গিয়ে আল্লাহর কাছে দোয়া করে,

অন্যদিকে ছেলের বিয়েতে ‘পদবি, গাড়ি, ফ্ল্যাট, ব্যাংক ব্যালেন্স’ চায়।


▬● ফাইনাল:


বিয়ের সময় সঠিক হলে, জীবন অনেক ভুল থেকে বাঁচে

ভাই, তোমার শরীর, তোমার মন, তোমার অনুভব—সবই জীবন্ত জিনিস।

তোমার চাওয়া-পাওয়া স্বাভাবিক।


সমাজ যদি এসবের দমন চায়, তবে সেটা গুনাহের পথে ঠেলে দিচ্ছে—যা আল্লাহর রাস্তা নয়।


✅ তাই সঠিক বয়সে, সঠিক নিয়তে, সঠিক মানুষকে বিয়ে করো।


✅ প্রতিষ্ঠা আসবেই—যদি নিয়ত থাকে সুন্দর জীবন গড়ার।

 
 
 

Recent Posts

See All
নিজ মালিকের প্রতি ভরসা।

একটি গরু জঙ্গলে ঘাস খাচ্ছিল। হঠাৎ তাকে একটি বাঘ আক্রমণ করল। গরুটি অনেক্ষন দৌড়ানোর পর উপায় না পেয়ে পুকুরে ঝাপ দিল। মাত্র শুঁকিয়ে যাওয়া...

 
 
 

Comments


Post: Blog2_Post

01607049944

©2023 by Habib Joypury. Proudly created with Wix.com

bottom of page